Ticker

6/recent/ticker-posts

Ad Code

এবারও কি ভারতের ইনিংস দ্রুত ধসিয়ে দিতে পারবে ইংল্যান্ড

 


ইংল্যান্ডের ‘বাজবল’ আক্রমণ, কিন্তু ভারতের প্রতিরোধ – এবার কাহিনি কী রূপ নেবে?
চলমান দ্বিতীয় টেস্টে Edgbaston-এ ইংল্যান্ড প্রথমদিন টস জিতে বলের সিদ্ধান্ত নিলে এমন মনে হত, তারা ভারতের ইনিংস তাড়া করে দ্রুত পতন ঘটাবে। প্রথমদিনে তারা অভিজ্ঞ কৌশলে ২৬৪ রানের মধ্যে KL Rahul–এর ব্যাট থেকে উইকেট তুলে নিলে প্রাথমিক অবস্থায় চাপ তৈরি করে । Chris Woakes (২‑৫৯) ও Brydon Carse (১‑৪৯) নিয়মিত উইকেট তুলে ইংল্যান্ডের বোলিং ইউনিট বাজবল ধারায় প্রেরণা জাগায়

ভারতের ব্যাটিং সংগ্রামে শুভমান গিল অলিৎ শতবর্ষ (১১৪*), ও Yashasvi Jaiswal-এর ঝড়ো ৮৭ রানের ইনিংস ভারতকে ৩১০/৫–এ স্থিতিশীল করে । রবিশঙ্কর জাদেজাও ৪১ রানে অবিচ্ছিন্ন উপস্থিতি দেখান। তবে মিডল অর্ডারের পর Rishabh Pant-এর আক্রমণাত্মক পদক্ষেপ না নিয়ে নিরাপদ ব্যাটিং—যা গার্ড রক্ষা স্ট্র্যাটেজিতে যায়—ইংল্যান্ডের বলে দ্রুত প্রান্তিকালে ব্যাটিংয়ে পতন ডেকে আনে

ভারতের এক যুগের অভিজ্ঞতা—Headingley-এও লোয়ার অর্ডার দ্রুত ধসে পড়ছিল—তখন ৭ উইকেট ৪১ রানে হারিয়েছিল । আবারো সেই ভয়াবহ পতনের সূত্রপাত হতে পারে, কারণ এদিন Woakes ও Carse-এর সঙ্গে Windgerichte সাপোর্ট করছে। Stuart Broad বলেছেন, “India’s collapse at Headingley will be on the back of England’s minds” 

আরেক গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর হলো Jasprit Bumrah না থাকায় ভারতের বোলিং ইউনিট আপাতত শক্তিশালী নয়—একজন বিশ্বমানের পেসারকে বিশ্রাম দেওয়া নিয়ে মিডিয়ায় বিতর্ক চলছে । সাবেক কোচ Ravi Shastri বলেছেন, Bumrah–এর অনুপস্থিতি বোঝা যাচ্ছে—তার নেই কখনো অল্টারনেটিভ নয় । ফলে ইংল্যান্ডের বোলাররা আরও সহজে ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের মন্থর করতে পারে।

তবে নেগেটিভ দিক হলো, ভারত প্রথম দিন বড় জুটি খেলে, এবং দুই অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান—Gill ও Jadeja—পরিস্থিতির ভার বহন করছেন। इंग인의 স্কোর ৩১০/৫ বড় নাও হতে পারে তবে ফোকাল কয়েকজন ব্যাটসম্যান রক্ষা পাওয়া মানে ইংল্যান্ডকে এখনও আরও কাটাতে হবে। Edgbaston পিচে দ্বিতীয় দিনে বল ছাড়ার দেখা যেতে পারে; এমন পরিস্থিতিতে English বোলাদের জন্য বড় লক্ষ্য নিয়ে চাপ সৃষ্টি করাই আসল চ্যালেঞ্জ।

ইংল্যান্ডের কৌশল হল––বাজবল ধারায় স্ট্রাইক টেকিং ও ফিল্ডের পরিবর্তন, দ্রুত উইকেটের নজর করতে ও মুখ থুবড়ে পড়া সম্ভাব্য লক্ষ্য থাকবে। তবে ভারতের প্রতিরোধ গিলের নেতৃত্বে ইতোমধ্যে দৃঢ়। গিলকে দ্বিতীয় দিনে আরও বড় ইনিংস খেলতে বলা হচ্ছে—নিজেকে শতাধিক সংযোজন করে ৫০০ রানের টার্গেট ইঙ্গিতযোগ্য করবে

উপসংহার: ইংল্যান্ডের হাতে রয়েছে বিষয়গুলো অভিযানক্ষমভাবে প্রয়োগ করার পরিকল্পনা—বুমরাহ না থাকা, ভারতের নিচু অর্ডার ফাঁকা, বাজবল আক্রমণনিৎয়ে শক্তিশালী রোডম্যাপ। তবে গিল ও জাদেজার অজস্র অংশগ্রহণ ভারতকে ফেলে দিয়েছে অ্যান্টি-ধস অবস্থা, যা ইংল্যান্ডকে দ্বিতীয় দিনে অধিক প্রয়াসে চাপ সৃষ্টি করতে বাধ্য করবে। যদি তারা দ্রুত উইকেট না পায়, তবে ভারত ইনিংস নিয়ে রক্ষা পেতে পারে। তবে আগের ম্যাচের ধসকে স্মরণ রেখে, ইংল্যান্ডে বাজবল আক্রমণে ফের ভারত দ্রুত পতনের শঙ্কা থেকে যায়।

Post a Comment

0 Comments